সেঞ্চুরির পর ব্যাটিং গুরুকে অনুসরন করলেন অভিষেক 

Sep 18, 2026 - 18:45
 0  2
সেঞ্চুরির পর ব্যাটিং গুরুকে অনুসরন করলেন অভিষেক 

দিল্লিতে গতকাল রাতে টি–টুয়েন্টি সিরিজে তৃতীয় ম্যাচও ১২৭ রানে জিতে আফগানিস্তানকে হারিয়েছে ভারত। আফগানিস্তানের বিপক্ষে ৩৪ বলে ১০৮ রানের রেকর্ড গড়া ইনিংস খেলেছেন অভিষেকের। এরপর দেখা যায় গুরুর মতো অভিষেক যে বসে পড়লেন মেডিটেশনে। যারা ক্রিকেট দেখেন তারা নিশ্চয় এতোখনে বুঝতে পেরেছেন কার কথা বলছি। হ্যাঁ এই উদ্‌যাপনটি ভারতীয় কিংবদন্তি যুবরাজ সিংয়ের।

যুবরাজ অভিষেকের মেন্টর। ব্যাটিংয়ের গুরু। এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যুবরাজের সঙ্গে অভিষেকের মেডিটেশনে বসার ছবিও দেখা গেছে। তা, অভিষেক নিজে কী বলছেন এ নিয়ে?

জয়ের পর অভিষেক জানান, দীর্ঘদিন ধরেই মেডিটেশন ও ম্যানিফেস্টেশন (ইতিবাচক চিন্তা) তাঁর জীবনের অংশ। গত ছয় মাস থেকে এক বছর ধরে তিনি এ বিষয়ে বিশেষভাবে মনোযোগ দিচ্ছেন।

শুনুন অভিষেকের মুখেই, ‘আমি বেশ কিছুদিন ধরেই এটা করছি। ছয় মাস থেকে এক বছর হবে। আমি মেডিটেশন ও নিজের লক্ষ্যে মনোযোগ দেওয়ায় অনেক গুরুত্ব দিয়েছি। কারণ, সারা বছর ক্রিকেট খেললে একজন ক্রিকেটারকে ভালো-মন্দ সময়ের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। তখন নিজের মনকে কীভাবে স্থির রাখবেন?’

অভিষেক যোগ করেন, ‘মেডিটেশন আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। কেউ যদি আমার এই উদ্‌যাপন দেখেন এবং কোনো ক্রিকেটার যদি মনে করেন, গত ছয় থেকে আট মাসে এটা আমাকে যেভাবে সাহায্য করেছে, তাঁকেও এটা সাহায্য করতে পারে। তাই এই উদ্‌যাপনটা বিশেষভাবে মেডিটেশনের জন্যই করেছি। কারণ, এটা আমাকে মানসিকভাবে স্থির থাকতে সাহায্য করছে।’

বাঁহাতি এই ওপেনার বলেন, ‘তাঁর (যুবরাজ) কাছ থেকে একটা বার্তা পেয়েছিলাম। তিনি বলেছিলেন, প্রতি বলে জোর করে বড় শট খেলতে হবে না। বিশেষ করে এই কন্ডিশনে মাঝে ১-২ রান করে নেওয়া দরকার। বল আমার পছন্দের জায়গায় না থাকলে আমি সিঙ্গেলও নিতে পারি। স্যার সব সময়ই চান, আমি যেন লম্বা সময় ব্যাট করি। আমার মনেও সব সময় থাকে, আমি যদি দলকে এমন একটা শুরু এনে দিতে পারি, তাহলে দল জয়ের পথে থাকবে। বিষয়টি সব সময়ই আমার মাথায় থাকে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

খেলাধুলা ভিশন: বাংলা ভাষায় খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, ক্রীড়া নীতি, খেলোয়াড় উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্ব বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Sports Intelligence Platform হওয়া; যা ক্রীড়াপ্রেমী, খেলোয়াড়, কোচ, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, খেলোয়াড় উন্নয়ন, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং যুব নেতৃত্বকে তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং অনুপ্রেরণামূলক গল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে একটি সুস্থ, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।